২৬/০৫/২০২০ ১৬:৫৯:৩৫

matrivhumiralo.com পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন

প্রতি মুহূর্তের খবর

o ফেরিঘাটে আটকেপড়া মানুষদের ফিরে আসার আহ্বান : বেনজীর আহমেদ o স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ পড়তে হবে o করোনা মোকাবিলায় মেডিক্যাল টিমসহ ১০০ সেনাসদস্য o করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করেছে সেনাবাহিনী o করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়
আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  আন্তর্জাতিক  >   জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিটের বিছানায় বসেই মাধ্যমিক পরীক্ষায়

জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিটের বিছানায় বসেই মাধ্যমিক পরীক্ষায়

পাবলিশড : ১৩/০৬/২০১৯ ১৩:৩৯:০৩ পিএম
 জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিটের বিছানায় বসেই মাধ্যমিক পরীক্ষায়

মাতৃভূমির আলো ডেস্ক ::

ইথিওপিয়ায় এক নারী সন্তান জন্ম দেওয়ার ৩০ মিনিটের মাথায় হাসপাতালের বিছানায় বসেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। পশ্চিম ইথিওপিয়ার মেতু অঞ্চলে ২১ বছর বয়সী এই নারীর নাম আলমাজ ডেরেস। তিনি আশা করেছিলেন সন্তান প্রসবের আগেই তিনি হয়ত পরীক্ষা শেষ করে ফেলতে পারবেন।

কিন্তু রমজান মাসের কারণে মাধ্যমিক স্কুলের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যেই প্রসবের ব্যথা উঠলে সোমবার তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং সেদিনই তার পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল।

এর মধ্যে তিনি সন্তান প্রসব করেন এবং তার আধ ঘণ্টার মধ্যেই পরীক্ষা শুরু হলে তিনি হাসপাতালের বেডেই পরীক্ষার খাতায় উত্তর লিখতে শুরু করে দেন।

আলমাজ বলেন, গর্ভকালীন অবস্থায় পড়ালেখা করতে তার তেমন অসুবিধা হয়নি। তবে তার জীবনের এরকম একটি ঘটনার কারণে এবারের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকেও তিনি বিরত থাকতে চাননি। তাহলে তাকে আরও একটা বছর অপেক্ষা করতে হতো।

সোমবার তিনি তিনটি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন- ইংরেজি, আমহেরিক এবং গণিত। বাকি পরীক্ষাগুলো তিনি আগামী দুদিনে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়েই দেবেন বলে জানিয়েছেন। তার কথায়, ‘পরীক্ষায় বসার জন্যে আমি খুব উদগ্রীব ছিলাম। বাচ্চা জন্ম দেওয়াটা খুব একটা কঠিন ছিল না’।

তার স্বামী টেডেস টুলু বলেছেন, এরকম অবস্থায় স্ত্রীর স্কুল যাতে হাসপাতালেই পরীক্ষার ব্যবস্থা করে সেজন্যে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়েছিলেন। ইথিওপিয়াতে পড়ালেখা শেষ করার আগেই ছাত্রীদের স্কুল থেকে ঝরে পড়া একটি সাধারণ ঘটনা।

আলমাজ বলেন, তিনি এখন দুই বছরের একটি কোর্সে ভর্তি হতে আগ্রহী এবং এর পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করতে চান। তিনি খুব খুশি যে তার পরীক্ষা ভাল হয়েছে। একই সঙ্গে তার নবজাতক শিশুটিও ভাল আছে।

এ বিভাগের সর্বশেষ